নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করা হবে। অর্থাৎ ৭ ডিসেম্বরের পর যেকোনো দিন তফসিল প্রকাশ হতে পারে। তিনি জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে, রমজানের আগেই জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে।
ইসির প্রস্তুতি সম্পর্কে কমিশনার বলেন, নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তফসিল ঘোষণার নির্দিষ্ট তারিখ কমিশনের পরবর্তী সভায় চূড়ান্ত হবে। তার ভাষায়, দেশজুড়ে ভোটাররা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চোখও বাংলাদেশের দিকে।
আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচনে বাধা সৃষ্টির বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে জানান, কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রমকে ছাড় দেওয়া হবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, আদালত এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সম্মিলিতভাবে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের বিষয়টি মাথায় রেখে মক ভোটিং সম্পন্ন করা হয়েছে। যেহেতু ভোটারকে দুটি ব্যালটে ভোট দিতে হবে, তাই ভোটের সময় বাড়ানো এবং বুথের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রস্তাব সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় আছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নিয়ে কমিশনার জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য, মোবাইল কোর্ট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি টিম কাজ করবে। প্রথমবারের মতো বডি-ওর্ন ক্যামেরা যুক্ত করা হবে, যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কোনো সুযোগ না থাকে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতার ক্ষেত্রে সরকার এবং সকল সরকারি বিভাগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। অতীতে নির্বাচনকে ঘিরে কিছু বিতর্ক থাকলেও এবার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো নিজেদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছে।
মন্তব্য করুন