গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান দাবি করেছেন, আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর নির্বাচনে অংশ নেওয়া সব দলের প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব হলেও তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) ঝিনাইদহের গোয়ালপাড়া বাজারে এক পথসভায় তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত থাকা অন্তত ৫০ জন প্রার্থীকে ‘টার্গেট কিলিংয়ের’ পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি তথ্য পেয়েছেন। তার ভাষ্য, কিছু প্রার্থীকে গুপ্তহত্যার মাধ্যমে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে।
তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার এমন চক্রান্ত থাকতে পারে। তবে রাশেদ খান বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কোনোভাবেই বানচাল করা যাবে না, এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফেরানোর প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, তফসিল ঘোষণার পর তিনি দেশে ফিরবেন বলে বিভিন্ন পর্যায় থেকে তথ্য পেয়েছেন। দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে তিনি কাজ করবেন বলেও উল্লেখ করেন।
তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অতীতের ঘটনার প্রেক্ষিতে তারেক রহমানের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই দলীয়ভাবে বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনা হয়েছে, যা তার মতে ‘অন্যায় নয়’।
রাশেদ খান আরও বলেন, প্রতিটি প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। তিনি নিয়মিত প্রশাসনকে বিষয়গুলো অবহিত করেন বলেও জানান। কোনো হামলা বা নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে এর দায়ভার সরকারের ওপর বর্তাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মন্তব্য করুন